বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন বিমানের ঢাকা থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধনের পর সামনে ১০ বছর চলা যাবে। এরপর একটি বিশ্বমানের নতুন বিমানবন্দর প্রয়োজন হবে। সেই বিমানবন্দরটি যাতে ময়মনসিংহের ত্রিশালে হয় সে ব্যবস্থা করব আমি। বিমানের বহরে ২০০ বিমান যুক্ত করে খালি শ্লটগুলোতে বিমানের ফ্লাইট পরিচালনা করবেন বলেও জানান তিনি।
আজ রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহের একটি হোটেলে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী।
ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন (মসিক) আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন সভাপতিত্ব করেন।
বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষৎ। তাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের জন্য যে প্ল্যান নিয়ে এসেছেন তা বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষার্থীসহ আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সুশৃঙ্খলভাবে কাজ করতে হবে—কোনো বিশৃঙ্খলা করা যাবে না।
বিমানমন্ত্রী আরও বলেন, আমি আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় নির্দেশ দিয়েছি, দুর্গাপুজায় কেউ কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য।
অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, সংসদ সদস্য জাকির হোসেন বাবলু, আবু ওয়াহাব আকন্দ, লুৎফুল্লাহেল মাজেদ, মসিকের নির্বাহী প্রধান সুমনা আল মজিদসহ কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।
বিমানমন্ত্রী আরও বলেন, ধাপে ধাপে অবহেলিত ময়মনসিংহ বিভাগের উন্নয়ন করতে হবে। এজন্য সময় দরকার। তাই ধৈর্য ধারণ করতে হবে।
বিমান কেনা নিয়ে বিরোধীদলসহ অনেকেই অযৌক্তিক সমালোচানা ও বিরোধিতা করছেন দাবি করে পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, যে বিমান কেনা হয়েছে তা আসতে সময় লাগবে। আগামী ২০৩১ সাল থেকে বিমান আসা শুরু হবে। এর মধ্যে আমাদের যেসব বিমান আছে সেগুলো অবসরে যাবে। তখন কী হবে—কেউ এসব চিন্তা না করেই বিরোধিতা করছেন। কাজেই আমাদের কমপক্ষে ২০০ বিমানের বহর তৈরি করতে হবে। যাতে কানাডা, চায়নাসহ বিভিন্ন দেশে আমরা ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারি।
অনুষ্ঠান তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, দেশে আর নকল হবে না। এ সরকার ক্ষমতায় থাকতে সবাই মেধার ভিত্তিতে ফলাফল পাবে। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষৎ। দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেবে তারাই। এই ময়মনসিংহ একটি তথ্য কমপ্লেক্স হচ্ছে। সেখানে সাংবাদিকদের জন্য বিনোদনসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থাকবে। প্রতিটি জেলাতেই সাংবাদিকদের জন্য এ রকম তথ্য কমপ্লেক্স স্থাপন করা হবে। ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়ক ফোর লেন এবং ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে।
পরে শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা। এরপর বিকেলে দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।