1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা: বাংলাদেশের ধর্মমন্ত্রীর ক্ষোভ বাংলাদেশে আসছেন কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী রণদীপ সারাই ট্রাম্পের সংবাদ বর্জন করায় ৫ টিভি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে তদন্ত সচেতনতা ও সুস্থতার বার্তায় জবিতে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন দুর্গাপূজার ছুটিতে নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সমন্বিত প্রস্তুতির নির্দেশ সড়কমন্ত্রীর চাঁদাবাজ-দখলদারদের জায়গা নেই বিএনপিতে দলে শৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এমপিদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মুশফিক-শান্তর ব্যাটে বড় হচ্ছে বাংলাদেশের লিড বার্লিনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন জোবাইদা রহমান সেবার মান বাড়লে রোগীদের বিদেশ যাওয়া কমবে: রাষ্ট্রপতি

ট্রাম্পের সংবাদ বর্জন করায় ৫ টিভি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে তদন্ত

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব সাময়িকভাবে বন্ধ রাখায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান পাঁচটি টেলিভিশন নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে অ্যান্টিট্রাস্ট বা অ্যান্টি-কম্পিটিটিভ (প্রতিযোগিতা-বিরোধী) তদন্ত শুরু করেছে দেশটির বিচার বিভাগ।

গত মাসে সিএনএন, এমএস নাউ এবং পলিটিকোকে হোয়াইট হাউসে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে ট্রাম্প প্রশাসন। ওই সময় এসব সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ‘ভুয়া খবর’ এবং ‘কাল্পনিক ও মিথ্যা তথ্য’ প্রচারের অভিযোগ তোলেন ট্রাম্প। পরবর্তীতে এক ফেডারেল বিচারক সাময়িকভাবে সরকারের সেই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেন।

পূর্বে সিএনএনসহ নিষিদ্ধ সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতি সংহতি জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পাঁচটি টেলিভিশন সম্প্রচারক প্রতিষ্ঠান কয়েক দিনের জন্য হোয়াইট হাউসের যৌথ ভিডিও ও সংবাদ সংগ্রহ (প্রেস পুল) কার্যক্রম বন্ধ রাখে। স্বাভাবিক নিয়মে এই ব্যবস্থায় প্রেস পুলের অন্তর্গত একটি সম্প্রচারমাধ্যমের সাংবাদিক প্রেসিডেন্টের সব ধরনের ইভেন্টের ভিডিও ধারণ করে তা অন্য সব নেটওয়ার্কের সঙ্গে শেয়ার করেন। স্থান সংকেটের কারণে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কাভার করার জন্য এই পুল তৈরি করা হয়।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছয়টি সূত্রের বরাতে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, শুক্রবার মার্কিন বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় হোয়াইট হাউসের টেলিভিশন সংবাদ সংগ্রহ দল-সংক্রান্ত অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ও নথিপত্র তলব করা হয়।

বিচার বিভাগের মুখপাত্র এমিলি কভিংটন এক বিবৃতিতে নিউইয়র্ক টাইমস ও ওয়াশিংটন পোস্টকে জানান, এবিসি, সিবিএস, সিএনএন, এনবিসি ও ফক্স নিউজ—এই পাঁচটি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক একসঙ্গে হোয়াইট হাউসের ইভেন্টগুলোর সংবাদ বর্জন করেছিল। তিনি বলেন, বাণিজ্যিক প্রতিযোগীদের মধ্যে যৌথভাবে এভাবে বর্জনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা ‘শেরম্যান আইন’ লঙ্ঘন করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘শেরম্যান আইন’ মূলত ব্যবসায়ে ক্ষতিকর প্রতিযোগিতা-বিরোধী চুক্তি প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। মুখপাত্র আরও জানান, এসব সংবাদমাধ্যম বাণিজ্য সংক্রান্ত মার্কিন আইন ভঙ্গ করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই বিচার বিভাগের অ্যান্টিট্রাস্ট বিভাগ এই তদন্ত চালাচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে তার সমালোচনামূলক খবর প্রকাশ করা সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়ে আসছেন। এমনকি তিনি বেশ কয়েকবার সংবাদমাধ্যমকে ‘জনগণের শত্রু’ হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন।

প্রেসের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করা মার্কিন সংগঠন রিপোর্টার্স কমিটি ফর ফ্রিডম অব দ্য প্রেসের সভাপতি ব্রুস ডি. ব্রাউন বিচার বিভাগের এই তদন্তের উদ্দেশ্য নিয়ে তীব্র সংশয় ও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট নিজেই সংবাদমাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। আর সেই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে সংবাদমাধ্যম কীভাবে সংবাদ প্রচার করছে—তা খতিয়ে দেখার অজুহাতে বিচার বিভাগকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনি আরও যোগ করেন, সংবাদমাধ্যম কীভাবে খবর সংগ্রহ ও প্রচার করবে, সেই স্বাধীনতা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতেই সুরক্ষিত রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অ্যান্টিট্রাস্ট আইনের প্রয়োগের চেষ্টা মূলত সাংবাদিকদের ভয় দেখানো এবং তাদের বাকস্বাধীনতা দমন করার একটি স্পষ্ট অপচেষ্টা।

এদিকে বৃহস্পতিবার সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকোর প্রতিনিধিরা হোয়াইট হাউসে তাদের স্থায়ী প্রেস পাস ও প্রবেশাধিকার বহাল রাখার চূড়ান্ত দাবিতে ওয়াশিংটনের কেন্দ্রস্থলের একটি ফেডারেল আদালতে উপস্থিত হয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যান।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026