1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
লিটন-মিরাজকে ছাড়াই ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন লিটন বিশ্ব ট্রমা দিবসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৬৬ মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার থেকে সরিয়ে মাহফুজুর রহমানকে করা হলো তথ্য কমিশনার আন্দোলনই শেষ নয়, দেশ পুনর্গঠনেও তরুণদের আসতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ‘রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের সিদ্ধান্ত ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র: জরুরি পরিস্থিতির প্রস্তুতি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার তাগিদ কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন: ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে প্রতিনিধি দল পাঠানোর নির্দেশ ক্রিকেটে নতুন ফরম্যাট, একই দলে খেলবেন ছেলে-মেয়ে ক্রিকেটাররা ফুটবলে এবার ‘ইলেকট্রনিক কার্ড’, সামাজিক মাধ্যমে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া

বিশ্ব ট্রমা দিবসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৬৬ মৃত্যু

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

নিউজ ডেস্ক: দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ৬৬ জন মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। বছরে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ২৪ হাজার ২৩৩ জনে। পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ও অঙ্গহানির কারণে প্রতিদিন গড়ে ১০৪ জন স্থায়ী প্রতিবন্ধিতার শিকার হচ্ছেন।

আজ ১৭ অক্টোবর, বিশ্ব ট্রমা দিবস। দুর্ঘটনা ও বিভিন্ন আঘাতে আক্রান্ত মানুষের জীবন রক্ষা, দ্রুত জরুরি চিকিৎসা এবং পুনর্বাসনের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে দিবসটি পালিত হচ্ছে। তবে দেশে আঘাতজনিত মৃত্যু ও প্রতিবন্ধিতার উচ্চহারের বিপরীতে জরুরি চিকিৎসাব্যবস্থার সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

‘বাংলাদেশে স্বাস্থ্য ও দুর্ঘটনা জরিপ ২০২২–২৩’ অনুযায়ী, দেশে বছরে প্রায় ৯৮ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় বিভিন্ন দুর্ঘটনা ও আঘাতজনিত কারণে। প্রতিদিন গড়ে ৪৫ হাজার ৪০৮ জন আহত হন এবং ৩৮০ জন স্থায়ী প্রতিবন্ধিতার শিকার হন। এর মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় স্থায়ী প্রতিবন্ধিতা হচ্ছে ১০৪ জনের।

দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দিতে মহাসড়কের পাশে নির্মাণ করা ২৪টি ট্রমা সেন্টারের অধিকাংশ দীর্ঘদিন কার্যকর ছিল না। চিকিৎসক, নার্স, সরঞ্জাম ও জনবল সংকট ছিল প্রধান বাধা। সরকার এখন এসব কেন্দ্রকে আধুনিকায়ন করে ‘অ্যাকসিডেন্ট অ্যান্ড ইমার্জেন্সি ট্রিটমেন্ট সেন্টার’ হিসেবে চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টার অ্যাম্বুলেন্স নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।-

দুর্ঘটনা প্রতিরোধের পাশাপাশি দ্রুত রোগী স্থানান্তর ও জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে মৃত্যু ও স্থায়ী প্রতিবন্ধিতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026