1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলছে, কিছু চ্যালেঞ্জ আছে’ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এটিএম-অনলাইন সেবা বন্ধ যেসব ব্যাংকের কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নৈশভোজ টিভি ও অনলাইনে আজকের খেলা স্থানীয়দের দাবির মুখে সুনামগঞ্জে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসিকে গোল ‘উপহার দেবেন না’ বেনিন গোলরক্ষক শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের

খেলাপি গ্রাহককে ‘আমদানি পরবর্তী অর্থায়ন’ করা যাবে না

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৫ জুন, ২০২১
  • ৩২২ বার দেখা হয়েছে

একই গ্রুপভুক্ত বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কেনা বেচার ক্ষেত্রসহ স্থানীয় ঋণপত্রের বিপরীতে আমদানি পরবর্তী অর্থায়ন (পিআইএফ) সুবিধা দেওয়া যাবে না। একইসঙ্গে পিআইএফের সুবিধা নিয়ে ওভারডিউ বা কিস্তি মেয়াদোত্তীর্ণ হলে নতুন করে সুবিধা পাওয়া যাবে না। এছাড়া খেলাপি গ্রাহককে ‘আমদানি পরবর্তী অর্থায়ন’ করা যাবে না।

রবিবার (১৩ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ পিআইএফ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করেছে।

নতুন নীতিমালায় পিআইএফের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে বলা হয়, ‘নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য বা ট্রেডিং পণ্য, শিল্পের কাঁচামালসহ ইত্যাদি বিভিন্ন খাতে আমদানি দায় পরিশোধের নিমিত্তে প্রদত্ত সকল প্রকার ঋণ সুবিধা যেমন এলটিআর, এলএটিআর, এমটিআর ও এমপিআই যে নামেই বলা হোক না কেন এসব ঋণ এখন থেকে বাংলায় ‘আমদানি পরবর্তী অর্থায়ন’ এবং ইংরেজিতে ‘পোস্ট ইমপোর্ট ফাইন্যান্সিং (পিআইএফ )’ নামে অভিহিত হবে।’

খাত ও মেয়াদ
গ্রাহকের চাহিদা, সংশ্লিষ্ট পণ্যের প্রকৃতি এবং উৎপাদন ও বিপণন চক্রের সঙ্গে সংগতি রেখে পিআইএফের মেয়াদ ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে, তবে নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৯০ দিন এবং শিল্পের কাঁচামালের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৮০ দিনের বেশি হবে না।

ঋণ অনুমোদন
এ নীতিমালায় বর্ণিত নির্দেশনাসহ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট গাইডলাইন, ক্রেডিট রেটিং সংক্রান্ত নির্দেশনা অনুসরণ করে ঋণপত্র (এলসি) স্থাপন এবং পিআইএফ সুবিধার অনুমোদনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক সুস্পষ্ট নীতিমালা থাকতে হবে।

নীতিমালায় ঋণপত্র এবং পিআইএফ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য জামানতের বিষয়টি সুস্পষ্ট উল্লেখ থাকতে হবে। ঋণপত্র এবং পিআইএফের অনুমোদনের সীমা নির্ধারিত থাকতে হবে। কোনোভাবেই অনুমোদিত সীমার অতিরিক্ত ঋণ সুবিধা দেওয়া যাবে না।

পিআইএফের ঋণ পুনঃতফসিলিকরণ হয়ে মেয়াদি ঋণে রূপান্তরিত হলে ওই ঋণকেও পিআইএফ হিসেবে গণ্য করতে হবে। আমদানি দায় পরিশোধের নিমিত্তে ঋণগ্রহীতার অনুকূলে কোনো কারণে ফোর্সড ঋণ সৃষ্টি হলে ওই ফোর্সড ঋণকেও (যে নামেই থাকুক না কেন) পিআইএফ ঋণপত্রের সীমার আওতায় প্রদত্ত সুবিধা হিসেবে গণ্য করতে হবে।

কোনো গ্রাহকের অনুকূলে প্রদত্ত পিআইএফ সুবিধা ওভারডিউ হলে উক্ত গ্রাহককে নতুন করে পিআইএফ সুবিধা দেওয়া যাবে না। তবে নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কোনো কারণে পিআইএফ সুবিধা ওভারডিউ হলে খেলাপি হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ওই গ্রাহককে পিআইএফ সুবিধা দেওয়ার প্রয়োজন হলে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিতে হবে।

একই গ্রুপভুক্ত বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রসহ স্থানীয় ঋণপত্রের বিপরীতে পিআইএফ সুবিধা প্রদান করা যাবে না।

পুনর্গঠন ও পুনঃতফসিলিকরণ
নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কোনো কারণে পিআইএফ সুবিধা পুনর্গঠন ও পুনঃতফসিলিকরণ প্রয়োজন হলে বা মেয়াদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রতিটি পিআইএফের জন্য সর্বোচ্চ একবারের সময় বাড়ানো যাবে। নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০ দিন এবং শিল্পের কাঁচামালের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৬০ দিন সময় বাড়ানো যাবে।

আদায় ও তদারকি
ঋণ প্রদান, ঋণ আদায় ও তদারকি করার জন্য পিআইএফ মনিটরিং ইউনিট নামে আলাদাভাবে একটি বিশেষ ইউনিট গঠন করতে হবে। এই ইউনিট পিআইএফ ঋণ অনুমোদন ও বিতরণে বিদ্যমান বিধি-বিধান যথাযথভাবে পরিপালিত হচ্ছে কি না তা নিয়মিতভাবে তদারকি করবে।

পিআইএফ ঋণ আদায়-অগ্রগতির তথ্যাদিসহ ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির কাছে উপস্থাপন করবে; পর্ষদীয় রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির পর্যবেক্ষণসহ ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে এসব বিষয়ে সার্বিক তথ্যাদি পরিচালনা পর্ষদে উপস্থাপন করতে হবে। পরিচালনা পর্ষদের মতামতসহ এ সংক্রান্ত তথ্যাদি পর্ষদ সভার ১০ কর্মদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিআরপিডির টাস্কফোর্স সেল এবং ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশনে পাঠাতে হবে।

এ নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026