1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
যথাযথ দ্বিপাক্ষিক কাঠামোয় ভারত সফরের সম্ভাবনা নাকচ করেননি প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ুন কবির দীপ্ত টিভির তানজিল হত্যা: মন্ত্রী রবিউলসহ ৯ জনকে মামলায় সম্পৃক্ত করার আবেদন খারিজ সূচকের পতনে লেনদেন শেষ ৫৩৭ কোটি টাকা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী শেষ ওভারের রোমাঞ্চে শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশ খেলাপি ঋণ কমাতে শীর্ষ ঋণখেলাপিদের টার্গেট বাংলাদেশ ব্যাংকের এমপি নজরুলের দ্বিতীয়পত্নীর আত্মহত্যা: মামা ওবায়দুর রিমান্ড শেষে কারাগারে ঢাকা মেডিকেলের টয়লেটে যার লাশ ঝুলছিল, তিনি বারডেমের নার্স শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যাংক বন্ধ নয়, সমস্যা কাটানোর চেষ্টা চলছে: বাংলাদেশ ব্যাংক

মেটার অ্যাপে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্যের ঝুঁকি যাচাই করবে এআই

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২ জুন, ২০২৫
  • ২০১ বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

 

মেটার ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্য জনপ্রিয় অ্যাপের আপডেটের সময় ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তার ঝুঁকি মূল্যায়নে এবার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) সিস্টেম। এআই ব্যবস্থাটি কোম্পানির মোট আপডেটের ৯০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যায়নের কাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম এনপিআর।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১২ সালে ফেসবুক (বর্তমানে মেটা) ও যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ট্রেড কমিশনের (এফটিসি) মধ্যে হওয়া এক চুক্তি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটিকে তাদের পণ্যের গোপনীয়তা মূল্যায়ন বাধ্যতামূলকভাবে করতে হয়। এত দিন এই মূল্যায়ন মানুষ বা বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরিচালিত হলেও, এখন থেকে এই কাজের বড় একটি অংশ করবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

নতুন এই এআই-চালিত ব্যবস্থায়, মেটার প্রোডাক্ট টিমগুলোকে শুরুতে তাদের প্রকল্প সম্পর্কে একটি ফর্ম বা প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এরপর খুব দ্রুতই এআই তাদের জানিয়ে দেবে—এই আপডেটে কী ধরনের গোপনীয়তা ঝুঁকি থাকতে পারে এবং তা চালু করার আগে কী কী নিয়ম মেনে চলতে হবে।

এভাবে আপডেটের গতি অনেক বাড়বে বলে মনে করছে মেটা। তবে এনপিআরকে এক সাবেক নির্বাহী সতর্ক করে বলেন, এই ব্যবস্থা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কারণ, কোন আপডেটের ফলে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে—তা আগে থেকেই বুঝে প্রতিরোধ করা কঠিন হয়ে যাবে।

এনপিআরকে দেওয়া এক বিবৃতিতে মেটার কজন মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা আমাদের প্রাইভেসি প্রোগ্রামে ৮ বিলিয়নের বেশি ডলার বিনিয়োগ করেছি এবং নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের শর্ত পূরণ করেই ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন উদ্ভাবনী পণ্য নিয়ে আসতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঝুঁকির ধরন যেমন পরিবর্তিত হচ্ছে, আমাদের প্রোগ্রামও পরিপক্ব হচ্ছে। আমরা ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে আমাদের প্রক্রিয়াগুলো উন্নত করছি। প্রযুক্তিকে ব্যবহার করছি কম ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্তে ধারাবাহিকতা ও পূর্বানুমান যোগ্যতা আনতে, আর জটিল ও নতুন বিষয়ে মানুষই মূল্যায়ন করবেন।’

উল্লেখ্য, মেটা সম্প্রতি গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন তদন্ত ও সমালোচনার মুখে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে এআই-নির্ভর মূল্যায়ন ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ যেমন বাড়ছে, তেমনি কোম্পানির পক্ষ থেকে এর কার্যকারিতা ও স্বচ্ছতার আশ্বাসও দেওয়া হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026