1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
যুব এশিয়া কাপের সূচি প্রকাশ, বাংলাদেশের খেলা কবে? বীরগঞ্জে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করলেন এমপি মনজুরুল মেসির বিদায়ে কঠিন পরীক্ষায় আর্জেন্টিনার ‘ফুটবল-বাণিজ্য’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎ দুই মাসের মধ্যে এক হাজার খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিমান-পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরামর্শ সংসদীয় কমিটির বিদেশফেরতদের নতুন জীবন গড়তে সরকার ও জাতিসংঘের ৩০ মাসের কর্মসূচি দিল্লিতে আলোচনায় বসছে বাংলাদেশ-ভারত সংস্কৃতি মন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিদলের বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন প্রকাশ, কিম জং উনের নেতৃত্বে পরিদর্শন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৭৯ বার দেখা হয়েছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উত্তর কোরিয়া তাদের প্রথম পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিনের নতুন ছবি প্রকাশ করেছে, যা বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন নিজে এই বিশাল সাবমেরিন পরিদর্শন করেছেন। প্রায় ৮ হাজার ৭০০ টন ওজনের এই জলযানটি যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভার্জিনিয়া ক্লাস’ অ্যাটাক সাবমেরিনের সমতুল্য বলে দাবি করা হচ্ছে।

কেসিএনএ জানিয়েছে, সাবমেরিনটির পরিদর্শনের সময় কিম জং উনের সঙ্গে তার কন্যা কিম জু আয়ে-ও উপস্থিত ছিলেন। সাবমেরিন নির্মাণাধীন অবস্থায়, কিম জং উন দক্ষিণ কোরিয়ার সমালোচনা করেছেন এবং সিউলের পারমাণবিক সাবমেরিন তৈরির পরিকল্পনাকে উত্তর কোরিয়ার নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি ও আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষা নীতি এখন শক্তিশালী আক্রমণাত্মক ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হচ্ছে।

২০২১ সালের সামরিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়া হাইপারসনিক মিসাইল, দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল ও নৌ বাহিনী উন্নয়নের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিনের প্রযুক্তি গ্রহণ করা উত্তর কোরিয়ার জন্য একটি বড় কৌশলগত অর্জন। সাধারণ সাবমেরিনগুলোকে নিয়মিতভাবে ব্যাটারি চার্জ করার জন্য পানির ওপর উঠে আসতে হয়, কিন্তু পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিনগুলো দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পানির নিচে অবস্থান করতে সক্ষম।

বর্তমানে বিশ্বের কেবলমাত্র কয়েকটি দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও ভারত—এই ধরনের প্রযুক্তি ধারণ করছে। দক্ষিণ কোরিয়ার গবেষক হং মিন জানিয়েছেন, সাবমেরিনটিতে সম্ভবত ইতিমধ্যেই নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর স্থাপন করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী দুই বছরের মধ্যে এটি পরীক্ষার জন্য সাগরে ভাসানো হতে পারে।

সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সাবমেরিন উত্তর কোরিয়ার কৌশলগত শক্তিকে নতুন মাত্রা দেবে। এটি দেশটিকে দীর্ঘ সময় ধরে আক্রমণাত্মক সক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে এবং অঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। সাবমেরিনের সফল পরীক্ষা এবং পরিচালনা হলে উত্তর কোরিয়া তার প্রতিরক্ষা কৌশলকে আরও শক্তিশালী করতে পারবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026