1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মেসির বিদায়ী পোস্টের কমেন্টে যা লিখলেন রোনালদো দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের বাধা দূর করতে আলোচনায় বসছে ঢাকা-দিল্লি ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে উন্নতি কেবল পর্তুগালেরই আন্তর্জাতিক বিরতি: মেসির বিদায়, রোনালদোর নির্বাসন থেকে বাংলাদেশের দুর্দশা বাংলাদেশের অটোমোবাইল শিল্পে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল টয়োটা সুপ্রিম কোর্টে রাতে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা সৌদির দুই বিমানবন্দরে হুতিদের হামলায় নারীসহ ৩ বিদেশির মৃত্যু, আহত ৩৬ নড়িয়ার ওসিকে হুমকির অভিযোগ, বিএনপি নেতা সাগর বহিষ্কার বগা আমার গাড়িতে উঠেছে প্রমাণ করুন, রাজনীতি ছেড়ে দেব: মেয়র শাহাদাত

ইরানের সামরিক কমান্ডার হত্যার মধ্য দিয়ে বাহিনীকে দমন করা সম্ভব নয়: খামেনি

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭৪ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বলেছেন, শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের হত্যার মাধ্যমে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীকে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ইরানের বাহিনী সত্যের পথে থাকা যোদ্ধা ও আত্মত্যাগী সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী ও গভীরভাবে প্রোথিত ফ্রন্ট, যাদের মনোবল ভাঙা যাবে না।

খামেনি এই মন্তব্য করেন ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-এর গোয়েন্দাপ্রধান মাজিদ খাদেমির মৃত্যুর পর। তিনি বলেন, মাজিদ খাদেমি দীর্ঘদিন ধরে ইরানের নিরাপত্তা, গোয়েন্দা এবং প্রতিরক্ষা খাতে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন। খাদেমি ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও কৌশলগত পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

ইরানের প্রতিরক্ষা খাতে এই ধরনের হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সমালোচকরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, বিদেশি হামলার ফলে অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বিপন্ন হতে পারে। তবে খামেনি ও আইআরজিসির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জনগণ ও বাহিনীকে শান্ত এবং সংহত রাখার জন্য মনোবল বৃদ্ধি করার দিকে জোর দিয়েছেন।

এদিকে, ইসরায়েল দাবি করেছে যে তারা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের বিশেষ অভিযান ইউনিটের কমান্ডার আসগর বাঘেরিকে হত্যা করেছে। এ নিয়ে ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনও জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানের একাধিক জ্যেষ্ঠ সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এ হামলার ফলে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উপর আন্তর্জাতিক নজর আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংক্রান্ত এই চ্যালেঞ্জগুলো শুধুমাত্র সামরিক প্রতিক্রিয়ায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক স্তরেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। আইআরজিসির নেতৃত্বে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং বাহিনীর মনোবলকে দৃঢ় রাখার চেষ্টা আগামী দিনে ইরানের নীতিনির্ধারণের অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026