1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
যেভাবে অত্যন্ত আনন্দঘন ও অর্থপূর্ণ উপায়ে উদযাপন করতে পারেন বিশ্ব ডিম দিবস মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা নয়: ট্রাম্প গজারিয়ায় ফুটবল টুর্নামেন্ট বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ঢাবিতে দুই দিনব্যাপী তৃতীয় আন্তর্জাতিক কম্পিউটিং সম্মেলন আজ পোস্টাল ভোটিংয়ের ‘বাংলাদেশ মডেল’ গ্রহণে আগ্রহী নেপাল-শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের চমৎকার সেশনে তানজিদকে হারানোর আক্ষেপ এবার অস্ট্রেলিয়ার দুই উৎসবে ‘প্রিন্সেস’ ভাবনা! মাইক্রোসফটসহ কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ এক বছরের মধ্যে ‘সার্বভৌম এআই’ চালু করবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রত্যাশা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪২ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন একটি অধ্যায় সূচনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের বর্তমান আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে বলেন, বিশেষ করে জনস্বাস্থ্য ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, কৃষি খাতের আধুনিকায়ন, ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ এবং গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও টেকসই করতে শক্তিশালী কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন। এই লক্ষ্য অর্জনে মার্কিন বিনিয়োগ ও গবেষণামূলক কাজে আরও নিবিড় অংশগ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশকে বিনিয়োগের একটি উর্বর ভূমি হিসেবে অভিহিত করে বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, সরকারি খাতের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের টেকসই অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা গেলে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। বিশেষ করে আঞ্চলিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের সহায়তার কথা স্মরণ করে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনগুলোতে এই সহযোগিতার পরিধি আরও বিস্তৃত হবে।

সাক্ষাৎকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রশংসা করেন এবং দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের তাগিদ দেন। রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বিশেষ করে সোলার প্যানেলসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে আরও নিবিড়ভাবে কাজ করতে আগ্রহী। তিনি বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান জানান।

উভয় পক্ষই একমত পোষণ করেন যে, দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনে দুই দেশের বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

উক্ত বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানগণ এ সময় উপস্থিত থেকে স্ব-স্ব খাতের উন্নয়ন চিত্র ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। কূটনৈতিক এই আলোচনা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের পল্লী উন্নয়ন ও স্থানীয় সরকার কাঠামোর শক্তিশালীকরণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026