1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার আহ্বান ঢাকার কম্বোডিয়ায় স্বপ্নের সমাধি: বৃহস্পতিবার ফিরছে ৪ প্রবাসীর নিথর দেহ ছয় বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, অপরিবর্তিত থাকতে পারে তাপমাত্রা প্রত্যেক শিশুকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর চার দিনের সফরে যাচ্ছেন আমেরিকান তরুণদের মধ্যে প্রিমিয়ার লিগের দর্শকসংখ্যা বেড়েছে ‘২০ শতাংশ’ মক্কা চুক্তির অধীনে সৌদি আরবে সেনা মোতায়েন করবে তুরস্ক, পাকিস্তান এবার এশিয়ার বাজারও দখলে নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, রপ্তানির জোয়ার শিশু একাডেমির ৫০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যুক্তরাষ্ট্রের সোফি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ম্যাচে নিহত স্কুলশিক্ষার্থীদের স্মরণে ইরানি ফুটবলার ও সমর্থকদের বিশেষ শ্রদ্ধা

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
  • ৪৮ বার দেখা হয়েছে

খেলাধূলা ডেস্ক

চলমান বিশ্বকাপ ফুটবলের একটি ম্যাচে মাঠে নামার সময় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে পরিচালিত সামরিক হামলায় নিহত ১৬৮ জন স্কুলশিক্ষার্থীর প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ইরানের জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা। যুক্তরাষ্ট্রের সোফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচটিতে অংশ নেওয়ার সময় ইরানি ফুটবলাররা তাদের আনুষ্ঠানিক স্যুটে একটি বিশেষ ব্যাজ পরিধান করেন। ইরানের মিনাব অঞ্চলের ‘শাহজারেহ তাইয়েবেহ স্কুল’ লক্ষ্য করে চালানো ওই হামলায় প্রাণ হারানো শিক্ষার্থীদের স্মরণে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়। খেলা শুরুর আগে ইরানের ফুটবল দলের অধিনায়ক মেহদি তাজ সংবাদমাধ্যমকে এই সিদ্ধান্তের পেছনের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জানান, নিহত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রতি গভীর সম্মান ও তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতেই দলগতভাবে এই প্রতীকী ব্যাজ ধারণ করা হয়েছে।

ম্যাচ চলাকালীন স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে উপস্থিত ইরানি সমর্থকরাও নিহত শিক্ষার্থীদের স্মরণে সংহতি প্রকাশ করেন। গ্যালারির একটি অংশে সমর্থকদের হাতে ‘মিনাব ১৬৮’ লেখা একটি বিশালাকার ব্যানার দেখা যায়, যা মূলত ওই হামলায় নিহত ১৬৮ জন শিক্ষার্থীর সংখ্যার দিকে ইঙ্গিত করে তৈরি করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের এই বড় মঞ্চে সমর্থকদের এমন প্রদর্শন বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এর পাশাপাশি গ্যালারিতে রাজনৈতিক ও সামাজিক নানা মাত্রিকতাও দৃশ্যমান ছিল। ম্যাচ চলাকালে ইরানি দর্শকদের মাঝে তিন ধরনের ভিন্ন ভিন্ন পতাকা দেখা যায়— যার মধ্যে ছিল ইরানের বর্তমান সরকারি পতাকা, দেশটির প্রাক-বিপ্লবী আমলের ঐতিহাসিক ‘সান অ্যান্ড লায়ন’ সম্বলিত পতাকা এবং কোনো প্রতীক ছাড়া সাধারণ সবুজ-সাদা-লাল রঙের পতাকা। এছাড়া গ্যালারির অন্য একটি অংশে ফিলিস্তিনের জাতীয় পতাকাও প্রদর্শন করতে দেখা যায় কিছু সমর্থককে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরিচালিত হয়। সামরিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, হামলার প্রথম দিনেই দেশটির মিনাব এলাকার ‘শাহজারেহ তাইয়েবেহ স্কুল’ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয় এবং সেখানে অবস্থানরত ১৬৮ জন শিক্ষার্থী প্রাণ হারায়। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সামরিক সংঘাতের প্রভাব যে সাধারণ বেসামরিক নাগরিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর কতটা মারাত্মক রূপ নিতে পারে, এই ঘটনাকে তারই একটি বড় উদাহরণ হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। ক্রীড়াঙ্গনের মতো একটি নিরপেক্ষ ও বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে ইরানি দল এবং সাধারণ নাগরিকদের এই প্রতীকী প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে এই সংঘাতের মানবিক বিপর্যয়কে সামনে নিয়ে এসেছে। ফুটবল মাঠের এই দৃশ্যপটের পর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বেসামরিক জানমালের সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মধ্যে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026