1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শান্তিতে নোবেল পেলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত দক্ষিণ আফ্রিকার মানবাধিকার আইনজীবী নাভি পিল্লাই যেভাবে অত্যন্ত আনন্দঘন ও অর্থপূর্ণ উপায়ে উদযাপন করতে পারেন বিশ্ব ডিম দিবস মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা নয়: ট্রাম্প গজারিয়ায় ফুটবল টুর্নামেন্ট বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ঢাবিতে দুই দিনব্যাপী তৃতীয় আন্তর্জাতিক কম্পিউটিং সম্মেলন আজ পোস্টাল ভোটিংয়ের ‘বাংলাদেশ মডেল’ গ্রহণে আগ্রহী নেপাল-শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের চমৎকার সেশনে তানজিদকে হারানোর আক্ষেপ এবার অস্ট্রেলিয়ার দুই উৎসবে ‘প্রিন্সেস’ ভাবনা! মাইক্রোসফটসহ কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

পাবলিক পরীক্ষা আইনে যুক্ত হলো ডিজিটাল নকলের সাজা: শিক্ষামন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
  • ৩৮ বার দেখা হয়েছে

শিক্ষা ডেস্ক

পাবলিক পরীক্ষা আইনে ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার বা ডিজিটাল নকলের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। নতুন এই আইনি সংশোধনী অনুযায়ী, ডিজিটাল মাধ্যমে পরীক্ষার ফলাফল বা মেধাতালিকা হ্যাকিং ও অবৈধভাবে পরিবর্তন করার অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে (কেআইবি) রোটারি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘লিডার্স ট্রেনিং সেমিনার’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। দেশে তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের পাশাপাশি পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতি প্রতিরোধ এবং মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সেমিনারে শিক্ষামন্ত্রী দেশের শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, বর্তমান যুগ বিশ্বায়নের। আমাদের শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যেন তারা কেবল দেশেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও দক্ষতার সাথে নেতৃত্ব দিতে পারে। যুগের চাহিদার সাথে সংগতি রেখে বর্তমান সরকার শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুন করে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের অসঙ্গতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, শুধু ডিগ্রি অর্জনের উদ্দেশ্যে সবাইকে ঢালাওভাবে উচ্চশিক্ষা দেওয়া সমীচীন নয়। এতে দেশে শিক্ষিত বেকারত্বের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। বাস্তবমুখী ও বাজার চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার অভাবই এর প্রধান কারণ। তাই তরুণ প্রজন্মকে কেবল সনাতনী অনার্স-মাস্টার্স ডিগ্রির পেছনে না ছুটে প্রায়োগিক ও কারিগরি শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কারিগরি শিক্ষাকে আরও জনপ্রিয় ও তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে সরকারের নতুন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানান, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও সুপারিশ অনুযায়ী আগামীতে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই পাঠ্যবইয়ে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো, মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই যেন শিক্ষার্থীরা কোনো না কোনো বৃত্তিমূলক বা ব্যবহারিক কাজের সাথে পরিচিত হতে পারে।

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করাই বর্তমান সরকারের এবং প্রধানমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা সম্ভব হলে একদিকে যেমন দেশের অভ্যন্তরীণ শিল্প ও সেবা খাতের বিকাশ ঘটবে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারেও বাংলাদেশের কর্মসংস্থানের সুযোগ বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

সেমিনারে রোটারি বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন পেশাজীবী প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দেশের শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে সরকারের এই সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপসমূহকে স্বাগত জানান।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026