1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
যেভাবে অত্যন্ত আনন্দঘন ও অর্থপূর্ণ উপায়ে উদযাপন করতে পারেন বিশ্ব ডিম দিবস মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা নয়: ট্রাম্প গজারিয়ায় ফুটবল টুর্নামেন্ট বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ঢাবিতে দুই দিনব্যাপী তৃতীয় আন্তর্জাতিক কম্পিউটিং সম্মেলন আজ পোস্টাল ভোটিংয়ের ‘বাংলাদেশ মডেল’ গ্রহণে আগ্রহী নেপাল-শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের চমৎকার সেশনে তানজিদকে হারানোর আক্ষেপ এবার অস্ট্রেলিয়ার দুই উৎসবে ‘প্রিন্সেস’ ভাবনা! মাইক্রোসফটসহ কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ এক বছরের মধ্যে ‘সার্বভৌম এআই’ চালু করবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

জলবায়ু অর্থায়ন ও তহবিল কার্যকরের তাগিদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
  • ৩৩ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় অংশীদারত্ব, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং যৌথ অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য ক্ষয়ক্ষতি তহবিল (লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড) দ্রুত বাস্তবায়ন এবং সবুজ জলবায়ু তহবিল (গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড) কার্যকর করার তাগিদ দিয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার চীনের ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’ সম্মেলনের ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন এ শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক সেশনে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে এই সেশনটি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তোলা কোনো একক দেশের পক্ষে সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা, সহজ শর্তে অর্থায়ন এবং উন্নত প্রযুক্তির সহজলভ্যতা। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় শুধু প্রশমন (মিটিগেশন) নয়, বরং অভিযোজন (অ্যাডাপটেশন) প্রক্রিয়াকেও সমভাবে প্রাধান্য দিতে হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা বদ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

এর আগে সম্মেলনস্থলের দ্বিপক্ষীয় কক্ষে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আলোইস জভিংগি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে ডব্লিউইএফ প্রধান বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বিশ্ব জলবায়ু আলোচনায় বাংলাদেশের উত্থাপিত বিষয়গুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, চীনের ডালিয়ান শহরে ২৩ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের এই গ্রীষ্মকালীন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন’। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সম্মেলনে বৈশ্বিক অর্থনীতি, শিল্প কাঠামোর রূপান্তর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও উদীয়মান প্রযুক্তির প্রায়োগিক দিক, যুব কর্মসংস্থান এবং পরিবেশগত সংকটের মতো সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বজুড়ে দ্রুত প্রযুক্তির অগ্রগতি ঘটলেও এর অর্থনৈতিক সুফল সব অঞ্চলের মানুষের কাছে সমানভাবে পৌঁছাচ্ছে না। এই ব্যবধান কমিয়ে আনার কৌশল নির্ধারণই এবারের সম্মেলনের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা। এবারের উচ্চপর্যায়ের এই সম্মেলনে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তাসহ প্রায় ১ হাজার ৭০০-এর অধিক প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের এই অংশগ্রহণ বৈশ্বিক জলবায়ু কূটনীতি ও দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026