1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
যথাযথ দ্বিপাক্ষিক কাঠামোয় ভারত সফরের সম্ভাবনা নাকচ করেননি প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ুন কবির দীপ্ত টিভির তানজিল হত্যা: মন্ত্রী রবিউলসহ ৯ জনকে মামলায় সম্পৃক্ত করার আবেদন খারিজ সূচকের পতনে লেনদেন শেষ ৫৩৭ কোটি টাকা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী শেষ ওভারের রোমাঞ্চে শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশ খেলাপি ঋণ কমাতে শীর্ষ ঋণখেলাপিদের টার্গেট বাংলাদেশ ব্যাংকের এমপি নজরুলের দ্বিতীয়পত্নীর আত্মহত্যা: মামা ওবায়দুর রিমান্ড শেষে কারাগারে ঢাকা মেডিকেলের টয়লেটে যার লাশ ঝুলছিল, তিনি বারডেমের নার্স শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যাংক বন্ধ নয়, সমস্যা কাটানোর চেষ্টা চলছে: বাংলাদেশ ব্যাংক

তোরো রাজ্যের রাজা ওয়ো নাইম্বার মরদেহ উগান্ডায় দাফন সম্পন্ন করতে দেশে প্রত্যাবর্তন

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৭ বার দেখা হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসাধীন অবস্থায় ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে গত ২৭ আগস্ট মৃত্যুবরণকারী উগান্ডার পশ্চিমাঞ্চলের তোরো রাজ্যের রাজা ওয়ো নাইম্বা কাবাম্বা ইগুরু রুকিদি চতুর্থ-এর মরদেহ গত শুক্রবার বিশেষ বিমানে উগান্ডার এনতেবে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ক্ষমতাসীন রাজা হিসেবে পরিচিত এই রাজমুকুটধারীর বয়স মৃত্যুর সময় হয়েছিল ৩৪ বছর। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রীয় ও রাজকীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
শুক্রবার এনতেবে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইয়োওয়েরি মুসেভেনি এবং রাজপরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থেকে রাজার মরদেহ গ্রহণ করেন। এ সময় দেশটির রাষ্ট্রীয় এবং তোরো রাজ্যের পতাকায় মোড়ানো কফিনের ওপর পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান প্রেসিডেন্ট মুসেভেনি। আনুষ্ঠানিকতা শেষে কফিনটি একটি সামরিক হেলিকপ্টারে করে তোরো রাজ্যে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শোক ও শেষকৃত্যের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পরিচালিত হবে। রাজা ওয়ো নাইম্বার প্রয়াণে সমগ্র তোরো রাজ্য ও উগান্ডাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রাজপরিবার সূত্রে জানা গেছে, অবিবাহিত রাজা ওয়ো নাইম্বা একজন উত্তরাধিকারী রেখে গেছেন, যার ফলে তোরো রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী রাজতন্ত্রের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ণ থাকবে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালে মাত্র তিন বছর বয়সে পিতা ও মাতার মৃত্যুর পর তিনি তোরো রাজ্যের সিংহাসনে আরোহণ করেন। এত অল্প বয়সে রাজপরিবারের দায়িত্ব গ্রহণ করায় এবং রাজকীয় পোশাকে শিশুসুলভ আচরণের কারণে তিনি শৈশবেই আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছিলেন। উগান্ডা একটি সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র এবং দেশটির মূল নির্বাহী ক্ষমতা নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধানের হাতে ন্যস্ত থাকলেও, ঔপনিবেশিক আমলের পূর্ববর্তী ঐতিহ্যবাহী রাজতন্ত্রগুলোর রাজনৈতিক ক্ষমতা না থাকলেও দেশটির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাদের গভীর প্রভাব ও মর্যাদা রয়েছে। রাজা ওয়ো নাইম্বা জীবদ্দশায় কেবল ঐতিহ্যবাহী রাজকীয় দায়িত্ব পালনই করেননি, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এইচআইভি ও এইডস রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি এই মহামারী প্রতিরোধে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার এই অকালপ্রয়াণে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা গভীর শোক ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026