টেকসই শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর অর্থবহ অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
একই সঙ্গে শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ, নারী নেতৃত্বাধীন আগাম সতর্কীকরণ ও মধ্যস্থতা জোরদার এবং নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘উইমেন, পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি’ (ডব্লিউপিএস) ফোকাল পয়েন্টস নেটওয়ার্কের বার্ষিক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এসব কথা তুলে ধরেন ।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে ফিলিপাইন, ইতালি ও ইউএন উইমেনের উদ্যোগে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন ১৩২৫ গ্রহণের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বৈঠকে এর বাস্তবায়ন ও জবাবদিহি জোরদারের ওপর আলোচনা হয়।
বক্তব্যে শামা ওবায়েদ ২০০০ সালে নির্বাচিত নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হিসেবে রেজুলেশন ১৩২৫ সমর্থনে বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিভিন্ন পর্যায়ে নারীর অর্থবহ অংশগ্রহণের বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু ও মানবিক কার্যক্রমের সঙ্গে ডব্লিউপিএস এজেন্ডাকে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি নারীর বিরুদ্ধে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনায় জবাবদিহি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ‘ডব্লিউপিএস ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান’ প্রণয়নের চলমান উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
এছাড়া নারীদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল হয়রানি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে সংঘটিত নির্যাতন মোকাবিলায় বাংলাদেশ নেতৃত্বাধীন উদ্যোগ ‘ঢাকা ডায়ালগ’ সম্পর্কে বৈঠকে অবহিত করেন শামা ওবায়েদ। এর আসন্ন ‘গ্রুপ অব ফ্রেন্ডস’-এ যোগ দিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আমন্ত্রণ জানান তিনি।
বৈঠকে বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা অংশ নেন।