1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মঈন খানের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল : ডা. জাহিদ ২৪ ঘণ্টা পর ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে আপলাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’—ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করা সেই যুবক আটক প্রধানমন্ত্রী যখন জাপান থাকবেন, রাষ্ট্রদূত থাকবেন ঢাকায় প্রটোকল ভেঙে জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করলেন হৃদয় অবৈধ ফোন বন্ধে দুই ধাপে চালু হচ্ছে এনইআইআর, ব্যবস্থা নিচ্ছে বিটিআরসি বাংলাদেশকে নিয়ে সমালোচনা করতে চান না আফগানিস্তান কোচ বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ-সেরা হওয়ার পর নিষিদ্ধ অস্ট্রেলিয়া পেসার

এলবিটের সঙ্গে ইসরায়েলের ২০০ মিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি, শুরু হচ্ছে সরাসরি শান্তি আলোচনা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫১ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও কূটনৈতিক তৎপরতার এক দ্বিমুখী চিত্র ফুটে উঠেছে। একদিকে ইসরায়েল তার বিমান বাহিনীর জন্য ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের অত্যাধুনিক আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য গোলাবারুদ কেনার ঘোষণা দিয়েছে, অন্যদিকে লেবাননের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ওয়াশিংটনে দ্বিতীয় দফার সরাসরি আলোচনায় বসতে যাচ্ছে দেশটি।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, দেশটির অন্যতম শীর্ষ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘এলবিট সিস্টেমস’-এর সঙ্গে এই বিশাল অংকের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির অধীনে এলবিট সিস্টেমস ইসরায়েলি বিমান বাহিনীকে উন্নত প্রযুক্তির গোলাবারুদ সরবরাহ করবে। প্রতিষ্ঠানটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দীর্ঘকাল ধরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে তাদের কৌশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে এবং এই নতুন ক্রয়াদেশ তাদের উৎপাদন সক্ষমতার ওপর রাষ্ট্রের আস্থার প্রতিফলন। এলবিটের দাবি অনুযায়ী, এই অত্যাধুনিক অস্ত্রসমূহ আকাশপথে ইসরায়েলি বাহিনীর আধিপত্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এই চুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরে জানান, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এবং বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অস্ত্রের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিদেশনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের মাধ্যমে স্বনির্ভরতা অর্জনই এই চুক্তির মূল লক্ষ্য। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপটি ইঙ্গিত দেয় যে ইসরায়েল দীর্ঘমেয়াদী যেকোনো সামরিক পরিস্থিতির জন্য তাদের রসদ মজুত শক্তিশালী করছে।

সামরিক প্রস্তুতির সমান্তরালে কূটনৈতিক ফ্রন্টেও বড় ধরনের অগ্রগতি লক্ষ করা যাচ্ছে। লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি টেকসই এবং স্থায়ী সমঝোতার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে দ্বিতীয় দফার সরাসরি আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) আয়োজিত এই বৈঠকটি মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কয়েক দশকের বৈরিতার পর দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে এটিই প্রথম কোনো সরাসরি উচ্চপর্যায়ের সংলাপ।

বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে একটি অস্থায়ী ও ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, যার মেয়াদ আগামী রবিবার শেষ হওয়ার কথা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে লেবানন সরকার বিদ্যমান এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও এক মাস বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু করবে বলে জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আয়োজিত এই বৈঠকে উভয় পক্ষই ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছে, যা একটি দীর্ঘস্থায়ী শান্তি চুক্তির সম্ভাবনাকে উজ্জ্বল করে তুলেছে।

আঞ্চলিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, একদিকে বিপুল পরিমাণ সমরাস্ত্র ক্রয়ের চুক্তি এবং অন্যদিকে সরাসরি শান্তি আলোচনায় অংশগ্রহণ ইসরায়েলের ‘শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে শান্তি রক্ষা’র কৌশলেরই অংশ। ওয়াশিংটনের এই আলোচনার ফলাফল কেবল এই দুই দেশের সম্পর্কের ওপরই নয়, বরং সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে। যদি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধিতে উভয় পক্ষ একমত হতে পারে, তবে তা বড় ধরনের সংঘাত এড়ানোর ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে গণ্য হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026