1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মঈন খানের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল : ডা. জাহিদ ২৪ ঘণ্টা পর ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে আপলাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’—ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করা সেই যুবক আটক প্রধানমন্ত্রী যখন জাপান থাকবেন, রাষ্ট্রদূত থাকবেন ঢাকায় প্রটোকল ভেঙে জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করলেন হৃদয় অবৈধ ফোন বন্ধে দুই ধাপে চালু হচ্ছে এনইআইআর, ব্যবস্থা নিচ্ছে বিটিআরসি বাংলাদেশকে নিয়ে সমালোচনা করতে চান না আফগানিস্তান কোচ বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ-সেরা হওয়ার পর নিষিদ্ধ অস্ট্রেলিয়া পেসার

বিশ্বকাপ জয় স্পেনের: ফেরান তোরেসের ঐতিহাসিক গোল ও আবেগঘন অনুভূতি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৬ বার দেখা হয়েছে

খেলাধূলা ডেস্ক

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের মেগা ফাইনালে আর্জেন্টিনা দলকে পরাজিত করে শিরোপা জয় করেছে স্পেন। এই ঐতিহাসিক জয়ে স্পেনের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেছেন তরুণ ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেস। ম্যাচ শেষে এই শিরোপাকে স্পেনের সমগ্র জনগণের উৎসর্গ করেছেন তিনি।

ফাইনালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জয় পাওয়া স্পেনের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম একটি অর্জন। ম্যাচ শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ফেরান তোরেস তার গোলটিকে ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়ে দলীয় এবং জাতীয় অর্জন হিসেবেই দেখছেন। তিনি জানান, গোলটি কেবল তার কিংবা দলের ২৬ জন খেলোয়াড়ের একক অর্জন নয়, বরং এটি স্পেনের ৪ কোটি ৭০ লাখ মানুষের আবেগ ও প্রত্যাশার প্রতিফলন। তার ভাষ্যমতে, জয়ের এই চিত্র যেন আগেই নির্ধারিত ছিল।

বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে শক্তিশালী আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়া যে কোনো দলের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ। এই স্নায়ুচাপের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তোরেস স্বীকার করেন যে, প্রতিপক্ষ দলে লিওনেল মেসির মতো বিশ্বমানের খেলোয়াড় থাকায় ম্যাচের প্রথমার্ধ থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত বাড়তি মানসিক চাপের সৃষ্টি হয়েছিল। তবে স্পেন দল নিজেদের পরিকল্পনা এবং স্বাভাবিক খেলার কৌশলে অবিচল ছিল। মাঠের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে স্প্যানিশ দলটি যে নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিয়েছে, তা এই ফাইনালে স্পষ্ট হয়েছে।

টুর্নামেন্ট চলাকালীন ব্যক্তিগত ফর্ম নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। সমালোচকদের প্রশ্নের জবাবে তোরেস জানান, এই জয় তার জন্য এক প্রকার মানসিক মুক্তির সমান। বিশ্বকাপের এই দীর্ঘ যাত্রায় অনেক চড়াই-উতরাই ও সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে। তবে সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে সাফল্যের মুখ দেখতে পেরে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কঠোর পরিশ্রম এবং ধৈর্য যে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি, তোরেসের কণ্ঠে সেই সুরই ধ্বনিত হয়েছে।

এদিকে, এই জয়ে স্পেনের সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। দেশটির রাজধানী মাদ্রিদসহ বিভিন্ন শহরে ভক্তরা রাস্তায় নেমে উল্লাস প্রকাশ করছেন। স্প্যানিশ কোচ ও ফুটবল ফেডারেশন দলের এই সাফল্যের পেছনে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এবং তরুণ খেলোয়াড়দের ওপর আস্থাকে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছে।

২০২৬ সালের এই বিশ্বকাপ ফুটবল বিশ্ব নতুন এক চ্যাম্পিয়নকে বরণ করে নিল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্পেনের এই জয় ফুটবলের বৈশ্বিক মানচিত্রে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করল। বিশেষ করে ফাইনালে জয়সূচক গোলদাতা হিসেবে ফেরান তোরেসের নাম এখন স্প্যানিশ ফুটবলের ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে রইল। বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচেই স্পেনের দলগত সংহতি এবং কৌশলগত দক্ষতা ফুটবল বিশ্লেষকদের নজর কেড়েছে, যা শেষ পর্যন্ত তাদের শিরোপা জয়ের পথে এগিয়ে নিয়েছে। ফাইনালের এই জয় কেবল একটি ট্রফি জয় নয়, বরং স্পেনের ফুটবল সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একটি বড় মাইলফলক হিসেবে গণ্য হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026