1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মঈন খানের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল : ডা. জাহিদ ২৪ ঘণ্টা পর ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে আপলাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’—ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করা সেই যুবক আটক প্রধানমন্ত্রী যখন জাপান থাকবেন, রাষ্ট্রদূত থাকবেন ঢাকায় প্রটোকল ভেঙে জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করলেন হৃদয় অবৈধ ফোন বন্ধে দুই ধাপে চালু হচ্ছে এনইআইআর, ব্যবস্থা নিচ্ছে বিটিআরসি বাংলাদেশকে নিয়ে সমালোচনা করতে চান না আফগানিস্তান কোচ বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ-সেরা হওয়ার পর নিষিদ্ধ অস্ট্রেলিয়া পেসার

মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি মামলার রায় ঈদের পর: চিফ প্রসিকিউটর

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ৬৯ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারধীন মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি মামলার রায় পবিত্র ঈদুল আজহার পর ঘোষণা হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। রবিবার (২৫ মে) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ট্রাইব্যুনালের বর্তমান বিচারিক কার্যক্রম, তদন্তাধীন মামলা এবং গুম-খুনের মতো গুরুতর অভিযোগগুলোর তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মোট ২২টি মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর মধ্যে আইনি যুক্তিতর্ক ও শুনানি শেষে দুটি মামলা রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়েছে। বিচারিক প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকায় আগামী ঈদের ছুটি শেষে আদালত পুনরায় পুরোদমে কার্যকর হলে যেকোনো দিন এই রায় দুটি ঘোষণা করা হতে পারে বলে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থার বিশদ বিবরণ দিয়ে মো. আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা আরও প্রায় ৩১টি মামলার অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যা বর্তমানে একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এসব মামলার নথিপত্র এবং তথ্য-প্রমাণ যাচাই-বাছাইয়ের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। তদন্ত শেষ হওয়া মাত্রই আইনানুযায়ী এগুলোর আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আদালতে দাখিল করা হবে।

বিগত সময়ে ঘটে যাওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর ঘটনাগুলোর তদন্ত প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর জানান, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও ক্রসফায়ারের সুনির্দিষ্ট ১৫০টি মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। রাষ্ট্রীয় বা অন্যান্য বাহিনীর সহায়তায় সংঘটিত এসব অপরাধের গভীর অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে এই মামলাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আইনজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলার রায় ঘোষণা এবং বিপুল সংখ্যক গুরুতর অপরাধের তদন্তের এই উদ্যোগ বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যথাসময়ে রায় প্রকাশ এবং স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হলে দেশে মানবাধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় মাইলফলক হিসেবে গণ্য হবে। একই সাথে, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো সংবেদনশীল মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া দেশে আইনের শাসনকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026