1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মঈন খানের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল : ডা. জাহিদ ২৪ ঘণ্টা পর ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে আপলাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’—ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করা সেই যুবক আটক প্রধানমন্ত্রী যখন জাপান থাকবেন, রাষ্ট্রদূত থাকবেন ঢাকায় প্রটোকল ভেঙে জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করলেন হৃদয় অবৈধ ফোন বন্ধে দুই ধাপে চালু হচ্ছে এনইআইআর, ব্যবস্থা নিচ্ছে বিটিআরসি বাংলাদেশকে নিয়ে সমালোচনা করতে চান না আফগানিস্তান কোচ বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ-সেরা হওয়ার পর নিষিদ্ধ অস্ট্রেলিয়া পেসার

মা-মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
  • ৬৩ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রাম — জেলা প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় মা ও মেয়েকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত রিমন বড়ুয়া প্রকাশ তেজু বড়ুয়াকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। গত শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের চেনামতি বড়ুয়া পাড়া এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পরই পুলিশ তৎপরতা শুরু করে এবং ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (১৪ জুন) রাতে চট্টগ্রামের পটিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় অভিযুক্ত তেজু বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহতরা হলেন ওই এলাকার বাসিন্দা সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) এবং তাদের কন্যা প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। প্রিয়ন্তী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল। এই বর্বরোচিত হামলায় এনি বড়ুয়ার পাঁচ বছর বয়সী শিশু সন্তান পিয়াস বড়ুয়াও গুরুতর আহত হয়েছে। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি ও শিল্পাঞ্চল) রাসেল জানান, আনোয়ারার দুই নারীকে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তারের পর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য এবং এর সাথে অন্য কারো সংৃশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অপরাধের রহস্য উদঘাটনে জেলা পুলিশের একাধিক দল মাঠপর্যায়ে কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া জীবিকার তাগিদে চট্টগ্রাম শহরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত আছেন। কর্মস্থলে থাকার কারণে তিনি সাধারণত রাতে বাড়িতে থাকতেন না। ঘটনার রাতে সুজন বড়ুয়া বাড়িতে না থাকার সুযোগে এই নৃশংস হামলা চালানো হয়। প্রতিবেশীরা গভীর রাতে বাড়িটি থেকে গোঙানির শব্দ ও চিৎকার শুনে এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে পড়ে থাকতে দেখেন। ঘটনাস্থলেই এনি বড়ুয়া ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়ার মৃত্যু হয়। শিশু পিয়াসকে রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করতে দেখে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

স্থানীয়দের ধারণা, পূর্ব শত্রুতা বা পারিবারিক কোনো বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বলা যাচ্ছে না। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পর পুরো চেনামতি এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয় এলাকাবাসী ও নিহতের আত্মীয়-স্বজনরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে বলে জানা গেছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026