আইএমএফের নতুন ঋণে কী ধরনের শর্ত থাকছে কিংবা কত অর্থ মিলবে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সবই দরকষাকষির বিষয়’।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের মতো ভবিষ্যতেও অর্থপাচার চলবে কি না, তা ‘সহায়তাকারীদের’ উপর নির্ভর করছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
তার ভাষ্য, “যারা এ ধরনের লুটপাটকারীদের সহায়তা করছে, তারা যদি সহায়তা না করে…। নিঃসন্দেহে ভবিষ্যতে কারো যদি, কারো যদি দুরভিসন্ধি থাকে, সে কয়েক বার চিন্তা করবে।”
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চলমান আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভায় বৃহস্পতিবার আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে আসেন তিতুমীর।
সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়, “আপনি কি বিশ্বাস করেন যে ভবিষ্যতে অর্থ লুট হবে না?” এ প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে ‘সহায়তাকারীদের’ কথা সামনে আনেন তিনি।
উপদেষ্টা মনে করেন, লুটপাটে যারা সহযোগিতা করেছে, তাদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা উচিৎ।
তার ভাষ্য, “আমাদের মনে রাখতে হবে, যে বিষয় নিয়ে আমাদেরকে সবসময় সচেতন থাকতে হবে, সেটা হচ্ছে, যে পতিত সরকার জন্য আজ বাংলাদেশের সাধারণ জনগণকে ৪০ বিলিয়ন ডলার খেয়ানত দিতে হচ্ছে। তার মানে আমাদের সবচেয়ে বড় জিনিস এবং সম্মিলিত প্রয়োগের মাধ্যমে আমাদের এই খেলাপি ঋণ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
“এবং যে লুট করেছে বা যারা লুটপাটকারীদের সহায়তা করছে, সে দেশে হোক, বিদেশে হোক, সবসময় আমাদের মনে রাখতে হবে যে, জবাবদিহিতার ভেতরে আনতে হবে। কারণ এটা তো জনগণের অর্থ! ৪০ বিলিয়ন ডলার লুট করা হয়েছে এক ব্যাংক খাত থেকে। আর অন্যান্য খাত থেকে কী পরিমাণ অর্থ লুট করা হয়েছে! এটা তো একটা ফাইনান্সিয়াল ক্রাইম।”
আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচির আওতায় কী ধরনের শর্ত থাকছে এবং কী পরিমাণ অর্থ মিলবে, এমন প্রশ্নে তিনি ‘সবই দরকষাকষির বিষয়’ বলে জবাব দেন।
কবে নাগাদ অর্থ মিলতে পারে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমরা সবাই জানি যে একটা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় এবং সেই পদ্ধতি মতোই এটা যাবে। এবং আমরা এও মনে করি, যেহেতু আমরা প্রতিটি পদক্ষেপেই খুব দ্রুততার সঙ্গে কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছি, এক্ষেত্রেও দ্রুততার সঙ্গেই পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
আইএমএফ আভাস দিয়েছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছর শেষে মূল্যস্ফীতির পারদ গিয়ে ঠেকবে ১০ দশমিক ৯ শতাংশে; জিডিপি প্রবৃদ্ধি নামবে ৩ দশমিক ২ শতাংশে।
আইএমএফের এ আভাসকে তাদের ‘নিজস্ব’ অভিহিত করে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের আশার কথা শোনান উপদেষ্টা।
বিশ্ব গ্রামীণ নারী দিবস ও অদৃশ্য শ্রমের গল্প
কী মধু ভিসি পদে, সবাই কেন ইঁদুর দৌড়ে?
‘হোটেল রুয়ান্ডা’র বাইরের গল্প এবং নাভি পিল্লাইয়ের লড়াই