1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে জাপানি বিনিয়োগকারীরা তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান তথ্য কমিশনারের সাক্ষাৎ তৃণমূল পর্যায়ে স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাতীয় প্রেস ক্লাবের ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখে উন্নয়ন করতে হবে: সড়কমন্ত্রী ময়লার ভাগাড় থেকে দৃষ্টিনন্দন বাগান: ডিসি ফরিদার প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ‘আবার আসতে পারেন’, তাই গ্রিনরোড কোয়ার্টারের বাজার বন্ধ ফ্রান্সে বিক্ষোভ ঘিরে সহিংসতা, গ্রেপ্তার ১২০০ হঠাৎ ঢাকায় ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো রাজধানীতে বিশেষ চাবি দিয়ে লক ভেঙে মোটরসাইকেল চুরি, গ্রেফতার ৬ বাংলাদেশ সফরের আগে উইন্ডিজের স্কোয়াডে পরিবর্তন

একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তৃতা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৫৭ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকালে জ্ঞানী ও গুণীজনদের দিকনির্দেশনায় একটি সমৃদ্ধ, নৈতিক ও আলোকিত সমাজ গঠনের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, “একটি রাষ্ট্রে কৃতি মানুষের সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে, সমৃদ্ধির মানদণ্ডে সেই সমাজ তত বেশি আলোকিত হবে। রাষ্ট্র তার প্রয়োজন অনুযায়ী এবং উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জ্ঞানী-গুণীজনদের সম্মানিত করে।” তিনি বলেন, “রাজনীতিবিদরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকলেও প্রকৃত দিকনির্দেশক ভূমিকা পালন করেন জ্ঞানী ও গুণীজনরা। তাদের মেধা ও সৃষ্টিশীলতা সমাজকে সমৃদ্ধ করে। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে আজকের বাংলাদেশে প্রতিটি ঐতিহাসিক অর্জনে বিজ্ঞজনদের অবদান অনস্বীকার্য।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও উল্লেখ করেন, দেশ এবার ভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর অতিক্রম করে ৭৫ বছরে পদার্পণ করছে। তিনি একুশকে দেশের অবিনাশী চেতনা এবং স্বাধিকার অর্জনের বীজমন্ত্র হিসেবে বর্ণনা করেন এবং বলেন, “একটি উদার ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের যাত্রায় আমরা দেশের বিজ্ঞজনদের দিকনির্দেশনা প্রত্যাশা করি।”

এর আগে ১৯৭৬ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত মোট ৬০৫ জন ব্যক্তি এবং নয়টি প্রতিষ্ঠানকে এই পদকে ভূষিত করা হয়েছে। পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার কারণে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সমাজসেবক এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

অনুষ্ঠানটি মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গণির সঞ্চালনায় সম্পন্ন হয়। এতে মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট কূটনীতিক এবং সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি দেশের সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়ের অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন হিসেবে গুরুত্ব পেয়েছে।

উল্লেখ্য, একুশে পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা, যা ভাষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান, শিক্ষা, সংস্কৃতি, এবং সমাজসেবা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা হয়। পদকপ্রাপ্তদের অবদান দেশের সমাজ ও সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026