1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ক্যান্সার চিকিৎসা সম্প্রসারণে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন কিনবে সরকার রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন ‘আন্তর্জাতিক জাস্টিস সামিটে’ যোগ দিতে তুরস্কে আইনমন্ত্রী ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমানের চুক্তি বাংলাদেশ কারও স্বার্থে নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিমান কিনবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন ঢাকা-৫ আসনের জামায়াত এমপি কামাল হোসেন মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ও ইতিহাস নিয়ে বিতর্কের ইতি চান মন্ত্রী পেলে-মারাদোনার সঙ্গে নিজের তুলনা করলেন রোনালদো লংগদুতে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার কল্যাণে সরকার কাজ করছে, প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে ভরাডুবির পরও পদত্যাগ করছেন না কিয়ার স্টারমার

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬
  • ৬৪ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লেবার পার্টির নজিরবিহীন বিপর্যয় সত্ত্বেও পদত্যাগ না করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। গতকাল শুক্রবার নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনার পর এক বিবৃতিতে তিনি স্পষ্ট করেন যে, দলের এই কঠিন সময়ের দায় তিনি গ্রহণ করছেন, তবে দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে দেশকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে ঠেলে দিতে চান না। আগামী সাধারণ নির্বাচনেও তিনি লেবার পার্টির নেতৃত্বে থাকবেন বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি দেশজুড়ে বড় ধরনের জনসমর্থন হারিয়েছে। এখন পর্যন্ত ঘোষিত ১৩৬টি কাউন্সিলের মধ্যে ৪০টির ফলাফল অনুযায়ী, দলটি অন্তত ২৪০টি আসন হারিয়েছে। বিপরীতে, নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন অভিবাসনবিরোধী রাজনৈতিক দল ‘রিফর্ম ইউকে’ বড় ধরনের চমক দেখিয়ে ৩৫০টির বেশি আসনে জয় নিশ্চিত করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটারদের এই রায় বর্তমান সরকারের নীতি ও কার্যক্রমের প্রতি এক ধরনের অনাস্থা হিসেবে কাজ করছে।

নিজের প্রতিক্রিয়ায় কিয়ার স্টারমার পরাজয়ের গ্লানি স্বীকার করে বলেন, “এই নির্বাচনের ফলাফল অত্যন্ত কঠিন এবং এটি আড়াল করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা সারা দেশে অনেক দক্ষ ও মেধাবী প্রতিনিধি হারিয়েছি, যা দলের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক।” তবে তিনি যুক্তি দেন যে, সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই এখন তার প্রধান অগ্রাধিকার। ক্ষমতায় আসার মাত্র দুই বছরের মাথায় এই ফলাফলকে লেবার পার্টির জন্য একটি কঠিন অগ্নিপরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে মাত্র ১৪ বছরের কনজারভেটিভ শাসনের অবসান ঘটিয়ে তারা নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছিল।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দেখা যাচ্ছে, কেবল ইংল্যান্ড নয় বরং স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের পার্লামেন্ট নির্বাচনেও লেবার পার্টি বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছে। জনমত জরিপগুলোর পূর্বাভাস আগে থেকেই নেতিবাচক থাকলেও বাস্তব ফলাফল লেবার শিবিরের জন্য আরও বেশি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে অভিবাসন ইস্যু এবং অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে সাধারণ মানুষের অসন্তোষের প্রতিফলন এই নির্বাচনে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্টারমারের এই অনড় অবস্থান যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিরোধী দলগুলো তার পদত্যাগের দাবি তুললেও স্টারমার মনে করেন, তার নেতৃত্বেই আগামী সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টি ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন এবং ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধারে কিয়ার স্টারমারকে আগামী দিনগুলোতে ব্যাপক নীতিগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। আপাতত পরাজয়ের দায় মাথায় নিয়েই সামনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। এই নির্বাচনি বিপর্যয়কে ভবিষ্যতে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছে সচেতন মহল।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026