1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ক্যান্সার চিকিৎসা সম্প্রসারণে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন কিনবে সরকার রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন ‘আন্তর্জাতিক জাস্টিস সামিটে’ যোগ দিতে তুরস্কে আইনমন্ত্রী ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমানের চুক্তি বাংলাদেশ কারও স্বার্থে নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিমান কিনবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন ঢাকা-৫ আসনের জামায়াত এমপি কামাল হোসেন মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ও ইতিহাস নিয়ে বিতর্কের ইতি চান মন্ত্রী পেলে-মারাদোনার সঙ্গে নিজের তুলনা করলেন রোনালদো লংগদুতে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার কল্যাণে সরকার কাজ করছে, প্রধানমন্ত্রী

থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার কারামুক্তি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
  • ৩৮ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

থাইল্যান্ডের প্রভাবশালী রাজনীতিবীদ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা সোমবার সকালে ব্যাংককের ক্লং প্রেম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন। বিতর্কিত এক আদালতের রায়ে প্রায় আট মাস কারাভোগের পর স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে তিনি কারাগার থেকে বের হয়ে আসেন। কারাদণ্ড এড়ানোর উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে হাসপাতালে অবস্থান করার অভিযোগে তাকে এই সাজা প্রদান করা হয়েছিল।

৭৬ বছর বয়সী এই বিলিয়নেয়ার নেতার মুক্তি উপলক্ষে সোমবার ভোর থেকেই কারাগারের বাইরে শত শত সমর্থক ভিড় জমান। কারাগার থেকে বের হওয়ার সময় তিনি সাদা রঙের সাধারণ শার্ট পরিহিত ছিলেন। এ সময় তাঁর রাজনৈতিক উত্তরসূরি ও কন্যা পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাসহ পরিবারের সদস্যরা তাঁকে স্বাগত জানান। উল্লেখ্য, গত আগস্টে আদালতের এক আদেশে পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ করার ঠিক এক সপ্তাহ পরেই থাকসিনকে কারাবন্দি করা হয়েছিল।

থাকসিন সিনাওয়াত্রা প্রায় দুই দশক ধরে থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন। ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। তবে রাজতন্ত্র ও সামরিক বাহিনীর সাথে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বে ২০০৬ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন। এরপর দীর্ঘ ১৫ বছর নির্বাসনে থাকার পর গত বছর তিনি দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফেরার পরপরই তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির পুরনো মামলাগুলো পুনরায় কার্যকর করা হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, থাকসিনের এই কারামুক্তি থাইল্যান্ডের বর্তমান অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। তবে তাঁর রাজনৈতিক দল ‘ফেউ থাই পার্টি’ সাম্প্রতিক নির্বাচনে ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করায় তাঁর পূর্বের সেই একক প্রভাব এখন অনেকটাই ম্লান। তা সত্ত্বেও, থাই রাজনীতিতে পর্দার আড়াল থেকে কলকাঠি নাড়ার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা এখনো গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

কারাগার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, থাকসিন তাঁর সাজার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সময় পার করার পর এবং শারীরিক অসুস্থতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন। তবে মুক্তির পর তাঁকে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে চলতে হবে এবং আইনগত পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে।

থাকসিন সিনাওয়াত্রার কারামুক্তিকে ঘিরে থাইল্যান্ডের রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন স্বস্তি দেখা দিয়েছে, তেমনি তাঁর সমালোচকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে হাসপাতালে তাঁর অবস্থানের বৈধতা নিয়ে যে বিতর্ক ছিল, তা তাঁর মুক্তির মাধ্যমে আরও ঘনীভূত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এখন থাকসিনের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং তাঁর দলের পুনর্গঠনের ওপর অনেকাংশেই নির্ভর করছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026