1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গজারিয়ায় ফুটবল টুর্নামেন্ট বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ঢাবিতে দুই দিনব্যাপী তৃতীয় আন্তর্জাতিক কম্পিউটিং সম্মেলন আজ পোস্টাল ভোটিংয়ের ‘বাংলাদেশ মডেল’ গ্রহণে আগ্রহী নেপাল-শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের চমৎকার সেশনে তানজিদকে হারানোর আক্ষেপ এবার অস্ট্রেলিয়ার দুই উৎসবে ‘প্রিন্সেস’ ভাবনা! মাইক্রোসফটসহ কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ এক বছরের মধ্যে ‘সার্বভৌম এআই’ চালু করবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির অষ্টম আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত একবারে ৩ হাজার ডলার কেনা যাবে মানি চেঞ্জার থেকে

বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ৩৯৪ অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীর ভর্তির সুযোগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬
  • ২১ বার দেখা হয়েছে

সংসদ সংবাদ ডেস্ক

দেশের বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোতে চলতি শিক্ষাবর্ষে ৫ শতাংশ কোটার আওতায় মোট ৩৯৪ জন অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। বর্তমানে এসব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে অসচ্ছল ও মেধাবীদের জন্য এই বিশেষ কোটা ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ তথ্য জানান। সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদের সামনে এই পরিসংখ্যান ও সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল তাঁর প্রশ্নে উল্লেখ করেন যে, দেশে বেসরকারি মেডিকেল এবং ডেন্টাল কলেজগুলোতে চিকিৎসা শিক্ষা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এর ফলে অনেক দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থী এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা লাভের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোতে দরিদ্র মেধাবীদের জন্য বিশেষ কোটা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষার সার্বিক ব্যয়ভার কমানোর জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে কিনা, তা তিনি জানতে চান।

সংসদ সদস্যের এই প্রশ্নের লিখিত উত্তরে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসা ও নার্সিং শিক্ষার সম্প্রসারণ, আধুনিকায়ন ও গুণগত মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। একই সাথে সর্বস্তরের মানুষের জন্য সুনির্দিষ্ট স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় একটি ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এবং তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, বেসরকারি চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উচ্চব্যয়ের কারণে যেন মেধাবী শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত না হয়, সেজন্যই ৫ শতাংশ কোটা ব্যবস্থা কার্যকর রাখা হয়েছে। এই নীতিমালার আলোকেই চলতি বছরে ৩৯৪ জন শিক্ষার্থীকে সম্পূর্ণ মেধা ও আর্থিক অসচ্ছলতার ভিত্তিতে নির্বাচন করে বিভিন্ন বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বেসরকারি খাতে চিকিৎসা শিক্ষার ব্যয় সাধারণ পরিবারের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই কোটা ব্যবস্থা একটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তবে আসন সংখ্যার তুলনায় অসচ্ছল ও যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় এই কোটার আওতা আরও বাড়ানো এবং বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর সাধারণ ভর্তি ফি ও অন্যান্য খরচ একটি যৌক্তিক সীমার মধ্যে নিয়ে আসার বিষয়েও নীতিগত আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে প্রান্তিক ও নিম্নবিত্ত পরিবারের যোগ্য সন্তানরা ভবিষ্যতে দেশের চিকিৎসাসেবা খাতে অবদান রাখার সুযোগ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026