বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার সম্পর্ক আগামী প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিং। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্ব পদ্মা ও ইয়াংসি নদীর মতো প্রবাহমান থাকুক। দুই দেশের তরুণ প্রজন্মকে এই সম্পর্কের ধারক ও বাহক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।’
আজ (বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর) সকালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় শামসুল হক স্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজিত স্কুলে চীনের অনুদান এবং দেশটির সহযোগিতায় স্মার্ট ক্লাসরুম ও প্রযুক্তি-নির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম উদ্বোধন করতে গিয়ে এ কথা বলেন লিউ হাইসিং।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল এক মিলন। এছাড়া বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের সার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউয়িন, কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওফেং-সহ প্রতিনিধি দলের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
মঞ্চে শিক্ষার্থীদের সামনে দাঁড়িয়ে লিউ হাইসিং বলেন, ‘বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক বহু বছরের পুরনো। ইতিহাসের নানা সময়ে দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।’
তিনি বলেন, ‘১০ বছর আগে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বাংলাদেশ সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছায়। চলতি বছর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য ছিল চীন। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। এর মধ্য দিয়ে নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-চীন সম্প্রদায় গড়ে তোলার উদ্যোগ আরও এগিয়ে যায়।’
চীনা মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে দুই দেশের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। এর মধ্যে শিক্ষাখাতের সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারকটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা সহযোগিতা জোরদারে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।