1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন ‘আন্তর্জাতিক জাস্টিস সামিটে’ যোগ দিতে তুরস্কে আইনমন্ত্রী ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমানের চুক্তি বাংলাদেশ কারও স্বার্থে নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিমান কিনবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন ঢাকা-৫ আসনের জামায়াত এমপি কামাল হোসেন মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ও ইতিহাস নিয়ে বিতর্কের ইতি চান মন্ত্রী পেলে-মারাদোনার সঙ্গে নিজের তুলনা করলেন রোনালদো লংগদুতে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার কল্যাণে সরকার কাজ করছে, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য জার্মান রাষ্ট্রদূতের অঙ্গীকার

টেকসই অর্থনীতিতে শীর্ষে ১০ ব্যাংক ও ২ আর্থিক প্রতিষ্ঠান

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫
  • ১৫১ বার দেখা হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য প্রকাশিত ২০২৪ সালের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে টেকসই আর্থিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ, সামাজিক ও সুশাসনমূলক (ইএসজি) মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে তৈরি করা এ মূল্যায়নে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কার্যক্রমের টেকসই দিক দিয়ে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে।

এবারের তালিকায় স্থান পাওয়া ব্যাংকগুলো হলো— ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক এবং শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক। এর মধ্যে ছয়টি ব্যাংক— ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ও প্রাইম ব্যাংক— আগের বছরের র‌্যাংকিংয়েও অবস্থান ধরে রেখেছিল।

তবে ২০২৩ সালের তালিকায় থাকা এক্সিম ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) এবং উত্তরা ব্যাংক এবারে বাদ পড়েছে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আইডিএলসি ফাইন্যান্স ও আইপিডিসি ফাইন্যান্স টানা দ্বিতীয় বছরের মতো টেকসই প্রতিষ্ঠানের তালিকায় স্থান ধরে রেখেছে, যা তাদের ধারাবাহিক পরিবেশবান্ধব ও সমাজমুখী কার্যক্রমেরই প্রমাণ।

বাংলাদেশ ব্যাংক পাঁচটি মূল সূচকের ভিত্তিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম মূল্যায়ন করে। এই সূচকগুলো হলো:

১. টেকসই অর্থায়ন সূচক
২. কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কার্যক্রম
৩. পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে অর্থায়ন
৪. মূল ব্যাংকিং কার্যক্রমের টেকসই সূচক, এবং
৫. ব্যাংকিং সেবার বিস্তৃতি।

এই সূচকগুলোর মধ্যে মূল ব্যাংকিং কার্যক্রমের টেকসই সূচক এবং ব্যাংকিং সেবার বিস্তৃতি সূচক সম্মিলিতভাবে মোট নম্বরের প্রায় ৬০ শতাংশ ওজন বহন করে।

মূল ব্যাংকিং কার্যক্রমের টেকসই সূচকে বিবেচনায় নেওয়া হয়: নিট খেলাপি ঋণের হার, প্রথম স্তরের মূলধনের পরিমাণ (টায়ার-১ মূলধন), ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের অনুপাত, প্রভিশন বা সংরক্ষিত তহবিলের স্থিতি, সিএমএসএমই (ক্ষুদ্র, কুটির, মাঝারি ও অতিক্ষুদ্র) খাতে ঋণের অংশ এবং বড় ঋণের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার মানদণ্ড।

অন্যদিকে, ব্যাংকিং সেবার বিস্তৃতি সূচকে মূল্যায়ন করা হয়: ব্যাংকের শাখা নেটওয়ার্ক, আমানত ও ঋণের হিসাব সংখ্যা এবং এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার পরিধি।

বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২০ সালে প্রথমবারের মতো এই টেকসই রেটিং পদ্ধতি চালু করে।

এর মূল লক্ষ্য ছিল— ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিবেশ, সমাজ ও সুশাসন (ইএসজি) বিষয়ের প্রতি আরো দায়বদ্ধ করে তোলা এবং টেকসই অর্থনীতির পথে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করা।
এই প্রতিবেদন কেবল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে না, বরং দেশের আর্থিক খাতে একটি দীর্ঘমেয়াদি টেকসই কাঠামো গড়ার পথনির্দেশও দেয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026