1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন ‘আন্তর্জাতিক জাস্টিস সামিটে’ যোগ দিতে তুরস্কে আইনমন্ত্রী ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমানের চুক্তি বাংলাদেশ কারও স্বার্থে নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিমান কিনবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন ঢাকা-৫ আসনের জামায়াত এমপি কামাল হোসেন মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ও ইতিহাস নিয়ে বিতর্কের ইতি চান মন্ত্রী পেলে-মারাদোনার সঙ্গে নিজের তুলনা করলেন রোনালদো লংগদুতে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার কল্যাণে সরকার কাজ করছে, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য জার্মান রাষ্ট্রদূতের অঙ্গীকার

একটি ব্যাংকের মোট ঋণের ৯৫ শতাংশই খেলাপি: অর্থ উপদেষ্টা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৬২ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

 

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ব্যাংক ও ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোতে ঋণের নামে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ওই টাকার বড় অংশ বিদেশে পাচার হয়েছে এবং আদায় না হওয়ায় এখন তা খেলাপি ঋণে পরিণত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সরকারের এক বছর পূর্তিতে দেশের সার্বিক অর্থনীতি পরিস্থিতির ওপর অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

ড. সালেহউদ্দিন জানান, নতুন করে আরও ১০১ জন অর্থ পাচারকারী শনাক্ত হয়েছে। প্রত্যেকে সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা করে বিদেশে পাচার করেছে। এর আগে কয়েক হাজার কোটি টাকা পাচারের সঙ্গে জড়িত ১১ জনকে শনাক্ত করা হয়েছিল; যাদের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকার মামলা করেছে। পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘শুধুমাত্র একটি ব্যাংকের মোট ঋণের ৯৫ শতাংশ খেলাপি। ওই ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও তার বন্ধুরা সব টাকা নিয়ে চলে গেছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে একটি কমিটি গঠন করে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

গত এক বছরের অর্থনীতি পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সব সূচক নেগেটিভ ছিল। এখন সব সূচকই পজিটিভ হয়েছে। সুশাসনের ঘাটতি, অর্থ পাচার ও দুর্নীতির কারণে আর্থিক খাত খাদের কিনারায় ছিল, সেখান থেকে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে।’

মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, জুনে তা ৬ শতাংশে নামবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে ৮ শতাংশের বেশি এবং জুলাইয়ে তা ১৪ শতাংশে ছিল।

ব্যাংক খাত সংস্কারের জন্য বরাদ্দ সম্পর্কে প্রশ্নে উপদেষ্টা জানান, পর্যাপ্ত বরাদ্দ নেই; তবে আইএমএফও অর্থ দেবে। ‘অমানতকারীদের অর্থ খেয়ানত হবে না, যা যা দরকার তা করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘তথ্য প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিষয়টি করবে।’

টাকা ফেরত আনার বিষয়ে তিনি জানান, বড় ধরনের ১১টি মামলা হয়েছে এবং পাচারের স্থান শনাক্ত হয়েছে। ১২টি দেশের সঙ্গে মিউচ্যুয়াল লিগ্যাল অ্যাগ্রিমেন্ট (এমএলএ) করতে চিঠি পাঠানো হয়েছে এবং আইনজীবীর মাধ্যমে টাকাও ফেরত আনার চেষ্টা চলছে।

উপদেষ্টা বলেন, ‘কর আহরণ আশাতীত নয়। ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থার ওপর কর আদায় নির্ভর করে। তবুও ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো ব্যাংক খাত সংস্কার কার্যক্রম উল্টে দিলে আমানতকারীরা মুখ ফিরিয়ে নেবে। ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা ও মানবসম্পদ ঠিক করা আগামী নির্বাচিত সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।’

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026