1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন ‘আন্তর্জাতিক জাস্টিস সামিটে’ যোগ দিতে তুরস্কে আইনমন্ত্রী ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমানের চুক্তি বাংলাদেশ কারও স্বার্থে নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিমান কিনবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন ঢাকা-৫ আসনের জামায়াত এমপি কামাল হোসেন মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ও ইতিহাস নিয়ে বিতর্কের ইতি চান মন্ত্রী পেলে-মারাদোনার সঙ্গে নিজের তুলনা করলেন রোনালদো লংগদুতে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার কল্যাণে সরকার কাজ করছে, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য জার্মান রাষ্ট্রদূতের অঙ্গীকার

রোমে আন্তর্জাতিক চা দিবসের অনুষ্ঠানে নিজেকে ‘চা-ওয়ালা’ হিসেবে পরিচয় দিলেন নরেন্দ্র মোদি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ৩৮ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইতালির রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেকে ‘চা-ওয়ালা’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক চা দিবস উদযাপনের প্রাক্কালে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি ভারতের চায়ের বৈচিত্র্য, ঐতিহ্য এবং এর বৈশ্বিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নিজের অতীত জীবনের ‘চা বিক্রেতা’ পরিচয়কে বারবার সামনে আনা নরেন্দ্র মোদি এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চেও সেই একই পরিচয় ব্যবহার করে বিশ্ব প্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা আন্তর্জাতিক চা দিবস উদযাপন করতে যাচ্ছেন। আর এই উদযাপনের ঠিক একদিন আগেই আপনাদের মাঝে একজন ‘চা-ওয়ালা’ হাজির হয়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ভারতের চায়ের বৈচিত্র্য যেমন বিশাল, তেমনি এর গুণগত মান, শক্তি এবং সুবাসও বিশ্বজুড়ে অনন্য। কূটনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনার বাইরে তার এই মন্তব্য অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে চাঞ্চল্য তৈরি করে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) প্রতি বছর ২১ মে আন্তর্জাতিক চা দিবস উদযাপন করে। চা উৎপাদনকারী ও ব্যবহারকারী দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি, টেকসই কৃষি উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে চায়ের ভূমিকা তুলে ধরাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। মোদি তার বক্তব্যে ভারতের বিশাল চা শিল্পের অর্থনৈতিক অবদানের কথা স্মরণ করান, যা দেশটির লাখ লাখ প্রান্তিক মানুষের জীবিকার প্রধান উৎস।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নরেন্দ্র মোদির এই বক্তব্য কেবল একটি সাধারণ মন্তব্য নয়, বরং এর পেছনে গভীর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক কৌশল রয়েছে। ২০১৪ সালের ভারতের সাধারণ নির্বাচনের সময় থেকেই মোদি নিজের অতীত জীবনের চা বিক্রির গল্পকে তার রাজনৈতিক প্রচারণার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন। ‘চা-ওয়ালা’ পরিচয়টি ভারতের সাধারণ ও শ্রমজীবী মানুষের সাথে তার সংযোগ স্থাপনে বড় ভূমিকা রেখেছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে এই পরিচয়ের পুনরাবৃত্তি করে তিনি মূলত ভারতের সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে নিজের ভাবমূর্তি বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।

একই সাথে, বিশ্ব বাজারে ভারতের ঐতিহ্যবাহী চা, বিশেষ করে দার্জিলিং ও আসামের চায়ের ব্র্যান্ডিং এবং রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও এই বক্তব্য একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে চায়ের টেকসই উৎপাদন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে চা শিল্পের সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও এই সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026