1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
১০ কোটি ডলার বিক্রি করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক জনস্বার্থে উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী | Boishakhi Online মানি চেঞ্জারদের জন্য খুলল ডলার সংরক্ষণের নতুন দুয়ার ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৫৭ ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর ঝুঁকি, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ২৯ এনপিএসবি থেকে ডিজিপে’কে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক শ্রমিকদের উসকানি ও গুজবে কান না দিয়ে কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চীনের বিপক্ষে হেরে ষষ্ঠ হলো বাংলাদেশ বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে ঢাকা-বেইজিংয়ের ঐক্য চান চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রী ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে বদলাবে মোংলা বন্দর মোংলা বন্দরে কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৫৭ ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর ঝুঁকি, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ২৯

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৫৭টিতেই এডিস মশার ঘনত্ব নির্ধারিত সূচকের চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২৯টি ওয়ার্ডকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি।

বুধবার (৪ নভেম্বর) নগর ভবন অডিটোরিয়ামে বর্ষাকালীন এডিস মশার লার্ভা জরিপ-২০২৬-এর ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানায় ডিএসসিসি।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত ১২ দিনব্যাপী এ জরিপ পরিচালনা করা হয়। এতে ডিএসসিসির ৭৫টি ওয়ার্ডে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে ৩০টি করে মোট ২ হাজার ২৫০টি বাড়ি নমুনা হিসেবে নির্বাচন করা হয়। জরিপে ডিএসসিসি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ৩৬ জন মাঠকর্মী অংশ নেন। তথ্য সংগ্রহের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে ব্যবহার করা হয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম 'কোবোটুলবক্স'।

জরিপের তথ্য অনুযায়ী, পরিদর্শন করা ২ হাজার ২৫০টি বাড়ির মধ্যে ৩২২টিতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপা পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, নমুনা হিসেবে পরিদর্শন করা প্রায় ১৪ দশমিক ৩১ শতাংশ বাড়িতে এডিস মশার প্রজননের প্রমাণ মিলেছে।

বাড়ির ধরন অনুযায়ী, একক বাড়িতে সবচেয়ে বেশি ৩১ দশমিক ৩৭ শতাংশ লার্ভা ও পিউপা পাওয়া গেছে। বহুতল ভবনে এ হার ৩১ দশমিক ০৬ শতাংশ। এ ছাড়া সেমিপাকা বাড়িতে ১৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ, নির্মাণাধীন বাড়িতে ১৩ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং খালি প্লটে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ পাওয়া গেছে।

জরিপে মশার প্রজননক্ষেত্র হিসেবে সবচেয়ে বেশি চিহ্নিত হয়েছে প্লাস্টিকের বালতি। এসব পাত্রে ১৪ দশমিক ২১ শতাংশ লার্ভা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া প্লাস্টিকের ড্রামে ১১ দশমিক ২২ শতাংশ, বেজমেন্টে জমে থাকা পানিতে ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ, প্লাস্টিকের মগে ৯ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং ফুলের টবে ৫ দশমিক ৯৯ শতাংশ লার্ভা শনাক্ত হয়েছে।

ওয়ার্ডভিত্তিক ঝুঁকি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসসিসির ২৯টি ওয়ার্ড অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, ২৮টি মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১৮টি সাধারণ ঝুঁকিপূর্ণ। অর্থাৎ, সংস্থাটির সব কটি ওয়ার্ডই জরিপে ঝুঁকির কোনো না কোনো শ্রেণিতে পড়েছে।

জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণে ব্রেটো ইনডেক্স (বিআই), হাউস ইনডেক্স (এইচআই), কন্টেইনার ইনডেক্স (সিআই) এবং পিউপা ইনডেক্স (পিআই) ব্যবহার করা হয়েছে। এসব সূচকের মাধ্যমে মশার ঘনত্ব ও প্রজনন পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে ডেঙ্গুর সম্ভাব্য হটস্পট চিহ্নিত করা হয়।

জরিপ অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, 'চলতি বছর ঢাকা মহানগর দক্ষিণে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্যে রাখতে কাজ করছে সিটি করপোরেশন। ডেঙ্গুতে একজন রোগীরও মৃত্যু হোক, তা তারা চান না।' এ লক্ষ্য সামনে রেখেই ঢাকায় প্রথমবারের মতো বিশেষ এডিস মশার লার্ভা জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আবদুস সালাম বলেন, 'জরিপের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে।' এর ধারাবাহিকতায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আরও কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নগরবাসীর সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রশাসক বলেন, 'সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের আরও সচেতন হতে হবে। প্রত্যেকে নিজ নিজ বাড়ির জমে থাকা পানি অপসারণ করলে ডেঙ্গুর প্রকোপ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব।' এ জন্য বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, ফ্রিজের নিচে এবং আশপাশের ড্রেনে পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সরকারি ভবনগুলোর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর থেকে সরকারি ভবনের পেছনের অংশসহ বিভিন্ন চত্বর নিয়মিত পরিষ্কার করা হচ্ছে। এসব স্থান দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল।'

এ ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাকা দক্ষিণের আওতাধীন সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতি শনিবার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026